পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বাংলাদেশের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বলে যারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাদেরও ছাড়া হবে না। শনিবার (১৬ মে) ফলতা বিধানসভার পুননির্বাচনি প্রচারে আয়োজিত জনসভায় এই মন্তব্য করেন তিনি। জনসভা থেকে শুভেন্দু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আবাসের বাড়ি, আম্ফানের টাকা, পিএম কৃষাণ সম্মান নিধি, কৃষক বন্ধু, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, শৌচালয়, ১০০ দিনের কাজে যদি ঘুস নিয়ে থাকে, একটা যদি ডকুমেন্ট থাকে কমপ্লেন নেবেন।
আর পঞ্চু বাবুকে ধরে সোজা জেলের ভেতরে ঢোকাবেন। আর যদি আমার মা-বোন দিদি-শিশু কন্যাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন করে এখনো বাংলাদেশের শ্লোগান ‘জয় বাংলা’ বলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাদেরও ছাড়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় আসার মাত্র ৮ দিনে আমরা কী কী করেছি, তা আপনার জেনেছেন। রাজ্যে এখন পর্যন্ত ৩২১ জন বিজেপি কর্মী শহীদ হয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের পরিবারে ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে যারা রয়েছেন, বিজেপির সরকার তাদের চাকরি দেবে।
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, জনসংখ্যা গণনার কাজ আটকে রাখা হয়েছিল, যা এখন ফের চালু করা হয়েছে। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর শুরু হয়েছে। শরণার্থীরা থাকবে যারা সিএএ আওতায়, তবে ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ টাটা-বাই-বাই করা হবে। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ফলতা ভোটকেন্দ্রে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠে।
নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর রিপোর্টে বলা হয়ে, নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই বুথে অনিয়ম ও ইভিএম সংক্রান্ত সমস্যা ছিল। এছাড়া আসনটির একাধিক বুথে ভোটের দিন সকালেই টেপ লাগিয়ে সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এই অভিযোগের ফলে ফলতা কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (২১ মে) পুনর্নির্বাচন হতে চলেছে।